চীন সফর নিয়ে ভারতের নজরদারি, বলল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
চীন সফর নিয়ে ভারতের নজরদারি, বলল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর ও দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর যেকোনো ধরনের ঘটনাপ্রবাহ ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং ঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।

চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর

গত মাসের শেষ দিকে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই সফরে চীন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডর তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিষয়টি যাচাই–বাছাইয়ে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। ভারত এই করিডরের সম্ভাব্য প্রভাবের ওপর নজর রেখেছে।

যুদ্ধবিমান কেনার আগ্রহ

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো চীনের কাছ থেকে জে-১০সি যুদ্ধবিমান কেনার আগ্রহের বিষয়ে ভারতের মনোভাব জানতে চান। জবাবে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, এসব ক্ষেত্রে যা কিছু আলোচনা হয়—সবই ভারত নিরীক্ষণ করে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। তবে এই উদ্যোগ ভারতের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে জে-১০সি যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ও চীন কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেনি। গতকাল ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিস্তা প্রকল্প ও মোংলা বন্দর

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা প্রকল্প ও মোংলা বন্দরের উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ব্রিফিংয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়নে ভারতীয় সহায়তা দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি। সেই রোডম্যাপ নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। তিনি আরও বলেন, তিস্তা নদী প্রকল্প নিয়ে ভারতীয় মনোভাব আগেই বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে এবং এই বিষয়ে যা কিছু অগ্রগতি, তা সার্বিকভাবে বিবেচনা করা হবে।