কোস্টগার্ডের অভিযানে নাফ নদ এলাকা থেকে গ্রেনেড ও গোলাবারুদ উদ্ধার
কোস্টগার্ডের অভিযানে নাফ নদ এলাকা থেকে গ্রেনেড ও গোলাবারুদ উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রোহিঙ্গা অধ্যুষিত জাদিমুড়া এলাকার নাফ নদ সংলগ্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে মিয়ানমার ‘সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত’ বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড, তাজা গোলাবারুদ ও গাঁজা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। মাটির নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা এসব বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনাকে সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখছে বাহিনী।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ড স্টেশন টেকনাফের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডা মুত্তাকীন সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, ‘নাফ নদ ও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্র সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানবপাচার এবং সন্ত্রাসী তৎপরতা প্রতিরোধে কোস্টগার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এর অংশ হিসেবে শনিবার রাতে জাদিমুড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড ও গোলাবারুদ মাটির নিচে মজুত রাখা মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত দুটি ৩৬-এম এমকে-আই হ্যান্ড গ্রেনেড, আটটি ৪০ এমএম এইচইডিপি গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড ৭.৬২ মিলিমিটার তাজা গোলা এবং ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মুত্তাকীন সিদ্দিকী জানান, উদ্ধার হওয়া এসব বিস্ফোরক অসাধু ব্যক্তিদের হাতে পড়লে জননিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি হতে পারতো। কোস্টগার্ডের সময়োপযোগী অভিযানের ফলে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যদের শনাক্ত ও আটকের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার করা গ্রেনেড, গোলাবারুদ ও জব্দ করা গাঁজার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী ও চোরাচালান চক্রের তৎপরতা দমনে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।