ইরান-মার্কিন দ্বিতীয় দফার বৈঠকে জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্ব, ট্রাম্পের তিন উপদেষ্টার ভূমিকা
ইরান-মার্কিন দ্বিতীয় বৈঠকে জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্ব

ইরান-মার্কিন দ্বিতীয় দফার বৈঠকে জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্ব, ট্রাম্পের তিন উপদেষ্টার ভূমিকা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার সরাসরি বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। আগামী সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন এই তথ্য প্রকাশ করেছে, যা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টাদের উপস্থিতি

সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনারও এ সম্ভাব্য বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন। যুদ্ধ শুরুর আগে থেকেই কুশনার কূটনৈতিক আলোচনার নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন, যা এই বৈঠকের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলছে। সূত্রের তথ্যানুযায়ী, ইরান যুদ্ধ থেকে উত্তরণে একটি কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করার দায়িত্ব নিজের শীর্ষ এই তিন উপদেষ্টাকেই দিয়েছেন ট্রাম্প এবং তাদের ওপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

নিবিড় যোগাযোগ ও আলোচনার প্রক্রিয়া

শনিবারের (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানে হওয়া বৈঠকে ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকের পর থেকেই একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে জেডি ভ্যান্স, স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার ইরানি পক্ষ এবং মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছেন। এই যোগাযোগ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় দ্বিতীয় দফার বৈঠকটি দ্রুততার সঙ্গে আয়োজনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এই আলোচনা সফল হলে আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস পেতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের তারিখ বা স্থান নিশ্চিত করা না হলেও, সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আলোচনাটি খুব শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হতে পারে। ইরানের প্রতিক্রিয়া এখনও স্পষ্ট না হলেও, তাদের কূটনৈতিক মহল এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে। এই বৈঠকের ফলাফল আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে।