বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার: অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রগুলিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ
বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার: সহযোগিতা সম্প্রসারণ

বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্ক জোরদারে নতুন অঙ্গীকার

বাংলাদেশের সঙ্গে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে ইতালি। বুধবার (৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ অঙ্গীকারের কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তোনিও আলেসান্দ্রো। তিনি আজ সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ও প্রতিমন্ত্রীর সাম্প্রতিক দায়িত্বভার গ্রহণ করায় তাকে অভিনন্দন জানান।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা

একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইতালির আস্থার কথা জানান ইতালির রাষ্ট্রদূত। উভয় পক্ষই বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্কের ধারাবাহিক বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। দুই দেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, চামড়া ও সিরামিক শিল্প, উৎপাদন, দক্ষতা উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান, বেসরকারী ক্ষেত্রের অংশগ্রহণ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা প্রসারিত করার বিষয়ে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইতালির ভূমিকা

প্রতিমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে ইতালির ভূমিকার ওপর জোর দেন। এ সময় তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থীতায় ইতালির সমর্থন কামনা করেন। ইতালির রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার এজেন্ডা সম্পর্কে ইতালির অবস্থান অবহিত করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিবাসন ও গতিশীলতা নিয়ে আলোচনা

সাক্ষাতে অভিবাসন এবং গতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী কার্যকর অভিবাসন সুশাসন নিশ্চিত করতে ইতালি ও অন্যান্য ইউরোপীয় অংশীদারের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিবাসন চ্যানেলের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।

অনিয়মিত অভিবাসন রোধে পদক্ষেপ

রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত অভিবাসন রোধে বাংলাদেশের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং ইতালিয়ান সমাজে বাংলাদেশি কমিউনিটির ইতিবাচক অবদানের কথা স্বীকার করেন। উভয় পক্ষই নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসনের প্রসারের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আইনি পথ, দক্ষতা অংশীদারিত্ব এবং বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শ্রমিকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে বর্ধিত সহযোগিতা।

এই আলোচনায় বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে, যা উভয় দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।