প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকে ডিজেল পাইপলাইন ও সম্পর্ক উন্নয়নে আলোচনা
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন, যেখানে ভারত থেকে পাইপলাইনে ডিজেল আমদানির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এই বৈঠকটি সোমবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এবং বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেন।
বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ও আলোচ্য বিষয়
হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখাই এই বৈঠকের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল। তিনি বিশেষভাবে জোর দেন যে, ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি এই আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতাকে শক্তিশালী করতে পারে।
উপদেষ্টা কবির আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার সঙ্গে যে সম্পর্ক ছিল তা আর হবে না। শেখ হাসিনার পার্ট বাংলাদেশে শেষ।’ এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, বর্তমান সরকারের অধীনে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের গতিপথ পরিবর্তন হতে পারে এবং আগের সরকারের নীতির থেকে ভিন্ন দিকে এগোবে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় থাকলে বহু জটিল সমস্যার সমাধান সহজতর হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফর ও ভবিষ্যৎ বৈঠক
এই বৈঠকের পাশাপাশি, হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের আসন্ন ভারত সফরের বিষয়েও তথ্য দেন। তিনি জানান যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মঙ্গলবার ভারত সফরে যাচ্ছেন ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে অংশগ্রহণের জন্য। এই সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।
এই আলোচনাগুলো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের নতুন দিকগুলো তুলে ধরে, বিশেষ করে জ্বালানি সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মনে করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও কৌশলগত উদ্যোগগুলোর জন্য ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে।



