ট্রাম্পের পদচ্যুতি: অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে বরখাস্ত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্পের পদচ্যুতি: পাম বন্ডিকে বরখাস্ত

ট্রাম্পের পদচ্যুতি: অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে বরখাস্ত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে বরখাস্ত করেছেন, যা একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেন।

এপস্টিন তদন্ত নথি নিয়ে অসন্তুষ্টি

খবর অনুযায়ী, ট্রাম্প পাম বন্ডির কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন, বিশেষ করে জেফরি এপস্টিনের যৌন নিপীড়ন তদন্তসংক্রান্ত নথি সামলানোর পদ্ধতি নিয়ে। এপস্টিন, একজন দোষী সাব্যস্ত যৌন নিপীড়ক, ২০১৯ সালে কারাগারে মারা যান এবং তার নথিতে ট্রাম্পের নাম বারবার উঠে এসেছে।

ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, 'পাম বন্ডি যুক্তরাষ্ট্রের মহা দেশপ্রেমিক এবং বিশ্বস্ত বন্ধু, যিনি গত বছরজুড়ে বিশ্বস্ততার সঙ্গে আমার অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।' তবে তিনি বন্ডিকে সরিয়ে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি, শুধু বলেছেন, 'আমরা পামকে ভালোবাসি।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্তর্বর্তী দায়িত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ সাময়িকভাবে অন্তর্বর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, ট্রাম্প বলেছেন যে বন্ডি এখন বেসরকারি খাতে একটি 'অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ' নতুন কাজে যোগ দেবেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প এখন লি জেলডিনকে বিচার বিভাগের পরবর্তী দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবছেন, যিনি বর্তমানে মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার প্রধান হিসেবে কাজ করছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ববর্তী বরখাস্ত ও রাজনৈতিক প্রভাব

বন্ডির আগে ট্রাম্প হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মন্ত্রী ক্রিস্টি নোমকে আকস্মিকভাবে বরখাস্ত করেছিলেন, যা তার প্রশাসনে পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা দেখায়। এপস্টিন-সংক্রান্ত নথিগুলো প্রকাশের বিষয়ে আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ রয়েছে যে নথিগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকাশ করা হয়নি, যা বন্ডির পদচ্যুতির পেছনে একটি সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই পদচ্যুতি মার্কিন রাজনীতিতে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।