তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশি ও কূটনীতিকরা
এই অনুষ্ঠানে তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক, ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মিজানুর রহমানসহ তুরস্কে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী কনস্যুলেটে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান রাষ্ট্রদূত ও কনসাল জেনারেল।
তথ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ইতিহাসের শিক্ষার আহ্বান
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, "আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবসের আজকের প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের স্বৈরাচার পতনের যে ব্যাখ্যা এবং অভিজ্ঞতা— তার আলোকে যদি আমরা বোঝার চেষ্টা করি, তবে বর্তমানে আমরা যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র ও সমাজকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছি, আমাদেরকে শিখতে হবে ও বুঝতে হবে এবং চলার পথে ইতিহাসের এই শিক্ষাগুলোকে আমাদের পাথেয় করে চলতে হবে।"
তিনি আরও যোগ করেন, জনগণকে কেন্দ্র করে চিন্তা করার যে মনোজগৎ, এখান থেকে বিচ্যুত হলেই বিগত পতিত সরকারের পরিণতি তৈরি হবে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের প্রতি দায়িত্বশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তথ্যমন্ত্রীর তুরস্ক সফরের পটভূমি
উল্লেখ্য, তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন সামিট (স্ট্র্যাটকম) ২০২৬’-এ অংশ নিতে ২৬ মার্চ তুরস্ক পৌঁছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের কনরাড বসফরাস হোটেলে ২৭ ও ২৮ মার্চ দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন শেষে আগামী ৩০ মার্চ সকালে তথ্যমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
এই সফরের অংশ হিসেবে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া তথ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উৎসাহ ও দেশপ্রেমের নতুন বার্তা বহন করে এনেছে। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গুরুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



