তুরস্কে তথ্যমন্ত্রী: জনগণের নির্বাচিতদের ইতিহাসের শিক্ষা মেনে চলতে হবে
তথ্যমন্ত্রী: জনগণের নির্বাচিতদের ইতিহাসের শিক্ষা মেনে চলতে হবে

তুরস্কে তথ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: ইতিহাসের শিক্ষা মেনে চলার আহ্বান

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জনগণের নির্বাচিত ব্যক্তিদের অবশ্যই ইতিহাসের শিক্ষা দ্বারা পরিচালিত হতে হবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, জনকেন্দ্রিক চিন্তা থেকে বিচ্যুত হলে তা আগের পতিত শাসনব্যবস্থার মতো পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। মন্ত্রী এ বিষয়ে সরকারের জন্য ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

ইস্তাম্বুলে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর বক্তব্য

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে আয়োজিত স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জহির উদ্দিন স্বপন। মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে তিনি ২০২৪ সালের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে বলেন, "৫ আগস্ট ২০২৪-এ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার পতনের কারণ ও শিক্ষা যদি আমরা বুঝতে পারি, তাহলে রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার দায়িত্বে নির্বাচিত ব্যক্তিদের অবশ্যই তা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইতিহাসের এই শিক্ষার আলোকে এগিয়ে যেতে হবে"

এ সময় মন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অনুষ্ঠানে তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক, ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মিজানুর রহমান এবং তুরস্কে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। কনস্যুলেটে আগমনের সময় ফুল দিয়ে মন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তুরস্ক সফর ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ

জহির উদ্দিন স্বপন তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে 'ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন সামিট (স্ট্র্যাটকম) ২০২৬'-এ অংশ নিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে তুরস্কে যান। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনটি ২৭ ও ২৮ মার্চ ইস্তাম্বুলের কনরাড বসফরাস হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রী ৩০ মার্চ দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে। তার এই সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মন্ত্রীর এই বক্তব্য রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব ও সামাজিক দায়িত্বশীলতার বিষয়ে একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও সুশাসনের প্রতি তার প্রত্যয়কে প্রতিফলিত করে। ইতিহাসের শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার এই আহ্বান রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা ও জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করে।