ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃঢ় অবস্থান
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নৃশংস সামরিক হামলার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানানোর এবং আত্মরক্ষার স্বাভাবিক অধিকার ইরানের রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত, যা রাষ্ট্রগুলোর আত্মরক্ষার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।
আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগ্রাসন না থামানো পর্যন্ত অথবা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আক্রমণকারীদের চিহ্নিত করে তাদের দায়িত্ব পালনের ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত তেহরান তার পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে। এই অবস্থান ইরানের দৃঢ় প্রত্যয়কে প্রতিফলিত করে যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ ছাড়া নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলা করা সম্ভব নয়।
আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি ইরানের প্রতিশ্রুতি
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী কোনো রাষ্ট্রই তার ভূখণ্ডকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণ বা ক্ষতির জন্য ব্যবহার করতে দিতে পারে না। ইরান এই নীতির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে ‘প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক প্রতিরক্ষামূলক অভিযান’ পরিচালনা করেছে বলে দাবি করেছে।
পূর্ব সতর্কতা ও আঞ্চলিক শান্তির প্রতি ইরানের নীতি
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই প্রতিরক্ষামূলক অভিযান পরিচালনার আগে তারা সতর্কবার্তা দিয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক নিয়মের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। বিবৃতিতে জোর দেওয়া হয়েছে যে, এই ধরনের অভিযানকে আঞ্চলিক দেশগুলোর বিরুদ্ধে শত্রুতা হিসেবে দেখা যায় না এবং এগুলো কোনোভাবেই অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতি বৈরিতা বা শত্রুতার ইঙ্গিত দেয় না।
সূত্র হিসেবে আলজাজিরার প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলা এবং ইরান-ইসরাইল সংঘাতের ঘটনাপ্রবাহকে তুলে ধরে। ইরানের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা যোগ করেছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের নিরাপত্তা বিতর্কে।
