সার্ককে গতিশীল করতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানালেন মহাসচিব
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)-কে গতিশীল করতে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার আগ্রহী বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাসচিব মো. গোলাম সারওয়ার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমের কাছে এসব কথা জানান তিনি।
সার্কের ভবিষ্যৎ ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা
মহাসচিব গোলাম সারওয়ার বলেন, সার্কের বর্তমান পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। শুধু সার্ক সম্মেলন নয়, সংস্থাটির সামগ্রিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ নিয়েও মতবিনিময় করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সার্ক নিয়ে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে, যা আঞ্চলিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।
জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
এদিকে একই দিনে দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম–এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উভয় পক্ষই অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।
আঞ্চলিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের ভূমিকা
বাংলাদেশের সরকার সার্কের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে চায়। মহাসচিবের মতে, বাংলাদেশের এই আগ্রহ সার্কের কার্যক্রমকে নতুন গতি দিতে পারে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে আলোচনায় সার্কের বিভিন্ন প্রকল্প ও উদ্যোগের অগ্রগতি নিয়েও কথা হয়েছে। বাংলাদেশ সার্কের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর জন্য কাজ করতে আগ্রহী বলে জানানো হয়েছে।
এই আলোচনাগুলো আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের দিকে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটায়। সার্কের মহাসচিবের সফর এবং জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরে।
