ভারতের হাইকমিশনার বললেন: বাংলাদেশের সঙ্গে সব ক্ষেত্রে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদার করতে চাই
ভারতের হাইকমিশনার: বাংলাদেশের সঙ্গে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদার

ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় বর্মার বাংলাদেশ সফর: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার

ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা রবিবার বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সব ক্ষেত্রে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদার করতে তারা অগ্রগামী মনোভাব নিয়ে কাজ করতে চান। তিনি উল্লেখ করেন, জনসাধারণের বিনিময় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিদেশমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

বিদেশমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার এই মন্তব্য করেন। বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। "আমরা ইতিবাচক, গ构筑নমূলক ও অগ্রগামী মনোভাব নিয়ে একসাথে কাজ করে আমাদের পারস্পরিক সুবিধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে সব ক্ষেত্রে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদার করতে চাই," বলেন প্রণয় বর্মা।

তিনি যোগ করেন, "এটাই ছিল আমাদের আলোচনা, এবং আমরা সত্যিই এগিয়ে যেতে আগ্রহী।" হাইকমিশনার বিদেশ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম বৈঠক

প্রণয় বর্মা বলেন, "বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর নতুন বিদেশমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এটাই আমার প্রথম বৈঠক। সুতরাং, এটি মূলত একটি শিষ্টাচারমূলক সাক্ষাৎ ও প্রাথমিক মতবিনিময় ছিল।" তিনি নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের কথা উল্লেখ করেন।

নির্বাচনের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান। হাইকমিশনার বলেন, "তারা পরে সেদিনই টেলিফোনেও কথা বলেন।" ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার শপথ নেওয়ার সময় লোকসভার স্পিকার ভারত সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসেন।

ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তি মজবুত করতে চান

হাইকমিশনার বলেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে লোকসভার স্পিকার প্রধানমন্ত্রী মোদীর একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রী রহমানের হাতে তুলে দেন। সবকটি যোগাযোগে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তি মজবুত করতে ও বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

প্রণয় বর্মা বলেন, "আমরা একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করার আমাদের অঙ্গীকারের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছি।" এই আলোচনাগুলো দুই দেশের মধ্যে চলমান সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।