পাকিস্তানের মন্ত্রী আহসান ইকবাল ঢাকায়, বিএনপি সরকারের শপথে যোগ দিতে
পাকিস্তানের মন্ত্রী ঢাকায়, বিএনপি সরকারের শপথে যোগ দিতে

পাকিস্তানের মন্ত্রী আহসান ইকবাল ঢাকায়, বিএনপি সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে

পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে ঢাকায় পৌঁছেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে তার ঢাকায় আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের ঢাকাস্থ হাইকমিশন।

শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ঢাকায়

আহসান ইকবাল ঢাকার বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। মন্ত্রী বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন বলে হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে।

ত্রয়োদশ সংসদের শপথ অনুষ্ঠানের সময়সূচি

উল্লেখ্য, আজ মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে। সকাল ১০টায় সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

সংসদীয় রেওয়াজ অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের শপথ প্রথমে পড়ানো হবে। সেই অনুসারে, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। এরপর বিকাল ৪টায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন ও বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর এটি ছিল প্রথম সাধারণ নির্বাচন।

এই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই দিনে এই নির্বাচনের পাশাপাশি ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে একটি সাংবিধানিক গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

পাকিস্তানের মন্ত্রী আহসান ইকবালের ঢাকা সফর বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথির উপস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।