মাহমুদুল হত্যা মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের চতুর্থ দফায় রিমান্ড
মাহমুদুল হত্যা মামলায় সাবেক ডিজিএফআই পরিচালকের রিমান্ড

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানার মাহমুদুল হাসান হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক লে. কর্নেল (অব.) আফজাল নাছেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চতুর্থ দফায় তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শনিবার (২ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শামীম হোসেন রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।

আফজাল নাছেরের পটভূমি

২০০৬ সালের মার্চ থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের পরিচালক ছিলেন আফজাল নাছের। ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে ২৯ মার্চ গভীর রাতে সেনাবাহিনীর এই সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেলকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরদিন জুলাই আন্দোলনে দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি নিহতের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ওই মামলায় ওইদিন তাকে ৬ দিনের রিমান্ড দিয়েছিলেন আদালত।

এরপর বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আরও চার দফায় ১১ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

পূর্ববর্তী রিমান্ড ও বর্তমান আবেদন

গত ১৭ ও ২০ এপ্রিল দেলোয়ার হত্যা মামলায় ফের তিন দিন করে তাকে রিমান্ডে পাঠান আদালত। এরপর আদালত তাকে মাহমুদুল হত্যা মামলায় ২৩ এপ্রিল চার দিন, ২৭ এপ্রিল দুই দিন এবং ২৯ এপ্রিল তিন দিনের রিমান্ড দেন।

তিন দফায় ৯ দিনের রিমান্ড শেষে শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার এসআই মোহাম্মদ আশরাফুল আলম।

আফজাল নাছেরের পক্ষে তার আইনজীবী হেলাল উদ্দিন রিমান্ড বাতিল করে জামিন চেয়েছিলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার বিবরণ

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট উত্তরা পূর্ব থানাধীন এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মিছিলে অংশ নেন মাহমুদুল হাসান। বিকাল ৪টার সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশে আজমপুর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে আন্দোলনকারীরা পৌঁছালে আসামিরা ‘তাদের ওপর গুলিবর্ষণ’ করে। এ সময় মাহমুদুল হাসান গুলিবিদ্ধ হন। তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় এ হত্যা মামলা করা হয়।