অপতথ্য প্রতিরোধ যুদ্ধে পরিণত: তথ্যমন্ত্রী
অপতথ্য প্রতিরোধ যুদ্ধে পরিণত: তথ্যমন্ত্রী

ভুল ও অপতথ্য প্রতিরোধ তথ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য যুদ্ধে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দফতরে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন মোকাবিলা বড় চ্যালেঞ্জ

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “সারা পৃথিবীতেই এবং আমাদের জন্য তো অবশ্যই মিসইনফরমেশন এবং ডিসইনফরমেশনকে (ভুল এবং মিথ্যা বা অপতথ্য) কমব্যাট করাটা একটা প্রধান চ্যালেঞ্জ। তথ্য মন্ত্রণালয়ের দিক থেকেও এটা আমাদের জন্য এখন যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে অপতথ্য প্রচারকারীরা একটা বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র এবং সরকার জনগণকে কীভাবে অপতথ্যের হাত থেকে সুরক্ষা দিতে পারে, এটা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অপতথ্য প্রতিরোধে ভারসাম্য

তিনি বলেন, “এক সময় চ্যালেঞ্জ ছিল গণমাধ্যমের ফ্রিডম। এখন শুধু ফ্রিডম নয়, ব্যালেন্সড ফ্রিডমটা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, যারা ফ্রিডম একটু এক্সারসাইজ করছেন, সেটা প্রতিষ্ঠান হোক অথবা ব্যক্তিই হোক, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা দেখছি, এই ফ্রিডমের অপব্যবহারটা হচ্ছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অপতথ্যের হাত থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, দুটো কাজই তথ্য মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে করতে হচ্ছে।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও জোরদার

বৈঠকের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের গার্মেন্টস রফতানির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ডেস্টিনেশন হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমাদের মানবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় দাতা হচ্ছে তারা। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অংশীদার হচ্ছে তারা। সেই বিবেচনায় আমাদের বন্ধুত্বকে আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রযুক্তিগত সহায়তা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়

এক প্রশ্নের জবাবে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “পলিসি সাপোর্ট, টেকনোলজিক্যাল সাপোর্ট থেকে শুরু করে এসব জায়গাগুলোতে তাদের অভিজ্ঞতাকে আমরা কাজে লাগাতে চাই এবং তারাও তাদের সেই অভিজ্ঞতা আমাদের সঙ্গে বিনিময় করতে আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। কীভাবে কাজে লাগাবো সে ব্যাপারে মন্ত্রণালয় এবং দূতাবাস যৌথভাবে কাজ করবে ভবিষ্যতে।”