ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগপত্র গ্রহণ
ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগপত্র গ্রহণ

বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নিয়োগপত্র গ্রহণ করেছেন। শুক্রবার ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে তিনি এই নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন। অতি শিগগিরই তিনি ঢাকায় এসে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া

দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকায় যোগদানের পর দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তাঁর পরিচয়পত্র (ক্রেডেনশিয়াল) পেশ করবেন। এরপরই বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে তাঁর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে।

ভারতীয় হাইকমিশনের বিবৃতি

ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, ভারত সরকারের মনোনীত হাইকমিশনার খুব দ্রুত তাঁর নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে সম্প্রতি বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় নয়াদিল্লি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দীনেশ ত্রিবেদীর পরিচিতি

৭৫ বছর বয়সী দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবে রেলমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০১২ সালে রেল বাজেটে যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়ায় দলীয় নেতৃত্বের বিরোধিতার মুখে তাকে পদত্যাগ করতে হয়। এ ছাড়া তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সংসদীয় অভিজ্ঞতা

দীনেশ ত্রিবেদী লোকসভা ও রাজ্যসভা—উভয় কক্ষের সদস্য ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভার সদস্য এবং গুজরাট থেকে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করার পর পরের মাসেই বিজেপিতে যোগ দেন দীনেশ ত্রিবেদী।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজনৈতিক নিয়োগের তাৎপর্য

ভারত দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী দেশগুলোতে পেশাদার কূটনীতিকদেরই রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আসছে। তিন দশকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো কোনো প্রতিবেশী দেশে রাজনৈতিকভাবে পরিচিত একজন নেতাকে কূটনৈতিক মিশনের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল ভারত। এই নিয়োগ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।