তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী সাংসদ যোগ দিলেন এনসিপিআইয়ে
তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী সাংসদ এনসিপিআইয়ে যোগ দিলেন

লোকসভায় তৃণমূল বা নতুন তৃণমূল নামে আলাদা গ্রুপ তৈরির পরিকল্পনা ভেঙে যাওয়ার পর একটি অখ্যাত আঞ্চলিক দলে যোগ দিয়েছেন দলটির ২০ বিদ্রোহী সংসদ সদস্য। রোববার (১৪ জুন) স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আলাদা আসনে বসার আবেদন জানিয়েও ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায়, তারা শেষ পর্যন্ত 'ভারতের জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল' (এনসিপিআই)-তে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এনসিপিআই-এ যোগদানের কারণ

বিদ্রোহী এই ২০ সাংসদের যোগদানের ফলে কার্যত এনসিপিআই এই ছোট দলটি রাতারাতি বড় হয়ে গেছে। এখন এটি দেশের পঞ্চম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। হাওড়ার সাকরাইলের বাসিন্দা অনিকেত দে ও শিউলি কুন্ডু এনসিপিআই দলটি প্রথমে একটি এনজিও হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। পরে সেটিকে রাজনৈতিক দলে রূপান্তর করা হয়। দলের প্রধান নেতা উত্তীয় কুন্ডু ও শিউলি কুন্ডু। ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন এই দলকে স্বীকৃতি দেয়। দলের প্রতীক কলম। ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে এই দল থেকে সাতজন প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু কেউই জিততে পারেননি। সবচেয়ে বেশি ২৮৬ ভোট পেয়েছিলেন কৈলা আসনের জাহাঙ্গীর আলী।

তৃণমূলে অস্থিরতার পটভূমি

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর দলের অভ্যন্তরে তীব্র অস্থিরতা দেখা দেয়। ২৯৪ আসনের মধ্যে তৃণমূল পায় মাত্র ৮০টি, আর বিজেপি জয় পায় ২০০-এর বেশি আসনে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী হন শুভেন্দু অধিকারী। পরাজয়ের দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর চাপিয়ে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে দলের বিরুদ্ধে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেন। অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উঠে আসে। স্বাক্ষর জালের অভিযোগও উঠেছে। আইনি জটিলতা এড়াতে এবং ঝুঁকি কমাতে বিদ্রোহী ২০ সাংসদ শেষ পর্যন্ত এই অখ্যাত এনসিপিআই দলে যোগ দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব বিলীন করে দিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস