সংবিধান সংশোধনে বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের ঘোষণা দিলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম
সংবিধান সংশোধনে বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের ঘোষণা

সংবিধান সংশোধনে বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের ঘোষণা

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম আজ বুধবার সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করেছেন যে, সংবিধান সংশোধনের জন্য শিগগিরই একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সরকারি দল এই কমিটিতে আনুপাতিক হারে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি রাখতে আগ্রহী।

কমিটি গঠনের অগ্রগতি ও সময়সীমা

নূরুল ইসলাম সংসদ কমিটির বৈঠক শেষে জানান, আগামী রোববারের মধ্যে এই বিশেষ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যেতে পারে। তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের জন্য একটা কমিটি হবে। সেখানে সব দলের প্রতিনিধি রাখতে চাই আনুপাতিক হারে। স্বতন্ত্র থেকেও আমরা রাখতে চাই। সকলের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি কমিটি অচিরেই করব।’

সরকারি ও বিরোধী দলের অবস্থান

গত মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে সরকারি দল সর্বদলীয় বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেয়। তবে বিরোধী দল এই প্রস্তাবে একমত হয়নি এবং কমিটিতে উভয় পক্ষের সমান প্রতিনিধিত্বের দাবি জানিয়েছে। সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জুলাই সনদ ও গণভোটের প্রেক্ষাপট

জুলাই জাতীয় সনদের অধীনে সংবিধান-সম্পর্কিত ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটি আদেশ জারি করা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হওয়ায়, এই আদেশ অনুযায়ী বর্তমান সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও ভূমিকা রাখার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপির এমপিরা পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে পরিষদ গঠিত হয়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিরোধী দলের উদ্যোগ ও বর্তমান অবস্থা

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান গত রোববার কার্যপ্রণালিবিধির ৬২ বিধি অনুসারে একটি মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিস দেন, যা মঙ্গলবার সংসদে আলোচিত হয়। নূরুল ইসলামের মতে, বিশেষ কমিটিতে সরকারি ও বিরোধী দলের আইনবিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং মোট ১৫ থেকে ২০ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। এই পদক্ষেপটি সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।