ত্রয়োদশ সংসদে সরকারি দলীয় চিপ হুইপ পদে বুলু ও ফারুকের নাম আলোচনায়
চিপ হুইপ পদে বুলু-ফারুকের নাম আলোচনায়

ত্রয়োদশ সংসদে সরকারি দলীয় চিপ হুইপ পদে বুলু ও ফারুকের নাম আলোচনায়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন আগামী মাসের ১২ তারিখে বসতে যাচ্ছে। এর আগেই বিরোধী দলীয় চিপ হুইপ পদে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াত জোট। অন্যদিকে, সরকারি দলীয় চিপ হুইপ মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১০ জনকে।

বিএনপির বেশ কিছু জ্যেষ্ঠ নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। তারা স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও চিপ হুইপ পদে আলোচনায় রয়েছেন। সরকারদলীয় চিপ হুইপ পদে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে দুটি নাম। তারা দুজনই বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা, বাড়ি নোয়াখালীতে।

জয়নুল আবদিন ফারুকের প্রোফাইল

একজন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ-সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি ৬ বারের সংসদ-সদস্য। নবম জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের চিফ হুইপ ছিলেন তিনি। তখন তিনি সফলতা দেখিয়েছেন। ফলে এবার সরকারদলীয় সম্ভাব্য চিফ হুইপ হিসাবে তার নাম বেশি আলোচনায় রয়েছে। ফারুক বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বরকত উল্লাহ বুলুর প্রোফাইল

অপরজন নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ-সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু। তিনি ৫ বারের সংসদ সদস্য। ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে তিনি বাণিজ্য উপদেষ্টা ছিলেন। এবারও মন্ত্রী হওয়ার আলোচনা ছিলেন বুলু। তবে মন্ত্রিসভায় জায়গা না হওয়ায় এখন তার নামও চিফ হুইপ পদে আলোচনায় আছে।

বুলু বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানে। এর আগে যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি পদে ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ত্রয়োদশ সংসদের অধিবেশন শুরুর আগে চিপ হুইপ পদে এই দুই নেতার মনোনয়ন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।