জাতীয় সংসদে ৪৯ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন
জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট ৪৯ জন ব্যক্তি। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি অনুষ্ঠানস্থলে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেন, যেখানে প্রথমে মন্ত্রীরা এবং পরে প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, এবং শেখ রবিউল আলম। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে খলিলুর রহমান ও মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ শপথ নিয়েছেন, যা সরকারের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, রাজিব আহসান, আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, এবং নুরুল হক নুর। এই তালিকায় টেকনোক্র্যাট কোটায় আমিনুল হকও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, যা মোট তিনজন টেকনোক্র্যাটের উপস্থিতি নিশ্চিত করে।
প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ ও অনুষ্ঠানের বিবরণ
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শপথ নিয়েছেন, যাকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানস্থলে তারেক রহমানের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, যা একটি ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শপথগ্রহণের পর তিনি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে হাত মেলান এবং আনুষ্ঠানিক নথিতে স্বাক্ষর করেন, যা সরকারের নতুন অধ্যায়ের সূচনা নির্দেশ করে।
প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ উপলক্ষে দেশি-বিদেশি কয়েক’শ অতিথি অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছিলেন, যা এই ঘটনার আন্তর্জাতিক গুরুত্বকে তুলে ধরে। এই অনুষ্ঠানটি সরকারের নতুন মেয়াদে কার্যক্রম শুরু করার একটি আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে দক্ষতা ও বৈচিত্র্যের প্রতিফলন ঘটেছে।
