ফজলুর রহমানের বক্তব্যের নিন্দা মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামী ও বিরোধীদলীয় নেতাকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। সংগঠনটি এই বক্তব্যকে অপ্রীতিকর, অসংসদীয় এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে।

প্রতিবাদ বিবৃতি

বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন ও সেক্রেটারি জেনারেল বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তাজিরুল ইসলাম এই প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে আরও ৭০ জন সদস্য স্বাক্ষর করেছেন।

বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া

বিবৃতিতে বলা হয়, ২৮ এপ্রিল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ ও জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে যে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য। তারা এ ধরনের বক্তব্যকে সংসদের মর্যাদার পরিপন্থী বলে অভিহিত করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মুক্তিযোদ্ধাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা

মুক্তিযোদ্ধাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার পর মুক্তিযোদ্ধারা আওয়ামী লীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি এমনকি জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন। তাই কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য নির্দিষ্ট কোনো দলে থাকতে পারবেন না এমন মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।

ব্যক্তিগত অবস্থান ও মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা

বিবৃতিতে ফজলুর রহমানের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থান ও মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। একইসঙ্গে বলা হয়, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে যে কেউ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী যে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন, এটি নাগরিক অধিকার।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংসদের ভূমিকা

সংসদের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতারা বলেন, জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্থান, ব্যক্তিগত বা দলীয় আক্রমণের জায়গা নয়। তারা বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন, মো. তাজিরুল ইসলামসহ মোট ৭২ জন মুক্তিযোদ্ধার স্বাক্ষর রয়েছে।