জামায়াত আমিরের নাগরিক অধিকার: আমি কোন দল করবো জিজ্ঞেস করার অধিকার কার?
জামায়াত আমিরের নাগরিক অধিকার: আমি কোন দল করবো?

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ফজলুর রহমান বলেছিলেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। এর জবাবে দাঁড়িয়ে শফিকুর রহমান বলেন, তার নাগরিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং এটি গুরুতর অপরাধ।

সংসদে উত্তপ্ত বক্তব্য

বিকালে সংসদ অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পর জামায়াত আমির প্রতিবাদ জানান। শফিকুর রহমান বলেন, 'তিনি বলেছেন যে, আমি বলে থাকি আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। উনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। দুই নম্বর উনি বলেছেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। তাহলে কি উনাকে জিজ্ঞেস করা লাগবে?'

নাগরিক অধিকারের লঙ্ঘন

শফিকুর রহমান আরও বলেন, 'এটি আমার নাগরিক অধিকার। আমি কোন দল করবো? কোন আদর্শ অনুসরণ করব? এর ওপর হস্তক্ষেপ করার ন্যূনতম কোনো অধিকার রাষ্ট্র কিংবা সংবিধান কাউকে দেয়নি। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই।' তিনি স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানান, ফজলুর রহমানের 'অসংসদীয় অংশ' রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়ার জন্য।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফজলুর রহমানের বক্তব্য

এর আগে ফজলুর রহমান বলেন, 'মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না। যদি কেউ করে থাকে তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন।' এ সময় সংসদে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

জামায়াত আমিরের জবাব

জামায়াত আমির বলেন, 'শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়, তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান সবকিছুই বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপরে হাতুড়ি পেটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি পার্সোনালি আমাকে হার্ট করেছেন।' শফিকুর রহমান বলেন, 'সাধারণত যুক্তি যখন ফুরিয়ে যায়, মাথা তখন গরম হয়ে যায়। একটা প্রবাদ আছে, রেগে গেলেন তো হেরেই গেলেন। আমরা সবাই মিলে হারতে চাই না।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ