রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি: পরিসংখ্যানের আয়নায় ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি: পরিসংখ্যানে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি: পরিসংখ্যানের আয়নায় ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ

রানা প্লাজা ধসের ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের এই ভবন ধসে প্রাণ হারান ১১৩৩ জন শ্রমিক। আহত হন আরও ২৫০০ জনের বেশি। এটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভবন ধসের ঘটনা হিসেবে পরিচিত।

পরিসংখ্যানের ভয়াবহতা

ভবনটিতে পাঁচটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি ছিল। ধসের সময় প্রায় ৩০০০ শ্রমিক কাজ করছিলেন। উদ্ধার অভিযান চলে ১৭ দিন। ২৫০০ জনের বেশি আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী শ্রমিক।

আইনি প্রক্রিয়া

ঘটনার পর ৪১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০২৩ সালে আদালত ১৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। মালিক সোহেল রানা এখনও পলাতক। ঘটনার ১১ বছর পরও বিচারকাজ সম্পূর্ণ হয়নি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শ্রমিকদের অবস্থা

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি প্রকাশ করে। আন্তর্জাতিক চাপে পরে সরকার ও ব্র্যান্ডগুলো কিছু সংস্কার করে। তবে এখনও অনেক কারখানায় নিরাপত্তা মান অনুসরণ করা হয় না।

এই ট্র্যাজেডি শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তার জন্য একটি জাগরণ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি এখনও অমীমাংসিত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ