এনসিপির মনিরা শারমিন ও মাহমুদা মিতু ত্রয়োদশ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মনিরা শারমিন ও মাহমুদা আলম মিতু সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রার্থীদের পরিচয় ও ভূমিকা
মনিরা শারমিন ও মাহমুদা আলম মিতু উভয়েই জাতীয় নাগরিক পার্টির ‘জাতীয় নারীশক্তি’ শাখার গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। মনিরা শারমিন এই শাখার আহ্বায়ক হিসেবে, অন্যদিকে মাহমুদা আলম মিতু সদস্যসচিব হিসেবে তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তাদের মনোনয়ন দলটির নারী প্রতিনিধিত্বকে শক্তিশালী করার একটি স্পষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জামায়াত জোট ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরা
জামায়াত জোটের তালিকায় আরও বেশ কয়েকজন নারী প্রার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন:
- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি
- মারজিয়া বেগম, সহকারী সেক্রেটারি
- সাবিকুন নাহার মুন্নি, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক
- মারদিয়া মমতাজ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য
- নাজমুন নাহার নীলু, মহিলা বিভাগের সদস্য
এছাড়াও, সিলেটের নেত্রী মাহফুজা সিদ্দিকা, বগুড়ার নেত্রী ও সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা সামাদ, এবং খুলনা মহানগরীর সেক্রেটারি সামসুন নাহার প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। শরিক দল হিসেবে জাগপার চেয়ারম্যান তাসমিয়া প্রধান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য মাহবুবা হাকিমকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির পূর্ববর্তী মনোনয়ন
এই প্রক্রিয়ার আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছিল। দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে দলটি ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন নিশ্চিত করেছে, যা নারী রাজনীতিতে তাদের প্রতিশ্রুতি ও প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এনসিপির এই মনোনয়ন সংরক্ষিত নারী আসনে দলটির প্রতিনিধিত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপ নারী ক্ষমতায়নের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে, বিশেষ করে ত্রয়োদশ সংসদে নারী সদস্যদের ভূমিকা আরও প্রসারিত হবে।



