নারায়ণগঞ্জে মাদক অভিযানের নামে চুরি: দুই পুলিশসহ চারজন গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জে মাদক অভিযানের নামে চুরি: দুই পুলিশসহ গ্রেপ্তার ৪

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে একটি বাড়িতে গিয়ে স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্য ও পুলিশের দুই সোর্সসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে গত শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাঁদের চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কারা

এই চারজন হলেন ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খায়রুল বাশার, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার কনস্টেবল মো. আফিকুল ইসলাম এবং পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত মিরাজ ইসলাম ও মো. রানা। আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী।

ঘটনার বিবরণ

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২ জুলাই শহরের জামতলা ধোপাপট্টি এলাকায় সুমা আক্তারের বাড়িতে মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে সাদা পোশাকে অভিযান চালাতে যান খায়রুল বাশার ও আফিকুল ইসলাম। অভিযোগ আছে, এই দুই পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দুই সোর্সকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যান। অভিযানের সময় বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও গ্রেপ্তার

এ ঘটনায় সুমা আক্তার বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ এসআই খায়রুল বাশার, কনস্টেবল আফিকুল ইসলাম এবং দুই সোর্স মিরাজ ইসলাম শুভ ও রানাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত

জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে খায়রুল বাশার ও কনস্টেবল আফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্বের ঘটনা

এর আগে ২ জুলাই বিকেলে সাদা পোশাকে অভিযানে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হাতে দুই পুলিশ সদস্য ও তাঁদের সঙ্গে থাকা দুই সোর্স আটক হন। পরে তাঁদের পিটুনি দেওয়া হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।