জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যা: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যা: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আটটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্যানেল এ রায় ঘোষণা করে।

আট অভিযোগের বিস্তারিত

প্রসিকিউশন ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনে। অভিযোগ নং-১: ১৮ জুলাই ২০২৪ ভারতীয় গণমাধ্যম ‘মিরর নাও’–এ আন্দোলনকারীদের জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক ট্যাগ দিয়ে বল প্রয়োগের উসকানি ও হত্যার নির্দেশ। অভিযোগ নং-২: ১৯ জুলাই কারফিউ জারি করে ‘শট অ্যাট সাইট’ কার্যকর করে নিরীহ আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ।

আন্দোলন দমনে নির্দেশনা

অভিযোগ নং-৩: ২০ জুলাই দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে ছাত্র-জনতার ভিডিও শনাক্ত করে আটক, নির্যাতন ও হত্যার নির্দেশ। অভিযোগ নং-৪: একই দিন দুপুর ২টা ২ মিনিটে মরণাস্ত্র ব্যবহার, ঘেরাও করে সেনা নামানো ও হেলিকপ্টার থেকে বোমা হামলার পরিকল্পনা। অভিযোগ নং-৫: ২৭ জুলাই নিউজ টোয়েন্টিফোর চ্যানেলে আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে উসকানি ও হত্যাকাণ্ডে সমর্থন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ষড়যন্ত্র ও কুষ্টিয়া হত্যা

অভিযোগ নং-৬: ২৯ জুলাই ১৪ দলীয় জোটের সভায় জামায়াত নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হত্যা ও নির্যাতনে উসকানি। অভিযোগ নং-৭: ৪ আগস্ট বিকাল ৪টা ২৯ মিনিটে শেখ হাসিনাকে আন্দোলন দমনে কারফিউ ও গুলি বর্ষণের পরামর্শ। অভিযোগ নং-৮: ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া সদর মডেল থানা এলাকায় কিশোর আব্দুল্লাহ আল মুস্তাকিনসহ ৬ জনকে হত্যা।

রায়ের বিবরণ

ট্রাইব্যুনাল ৩ নম্বর অভিযোগে ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়। ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ করে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ও ১০ বছর করে দণ্ড। ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগে খালাস দেয়া হয়। আলাদাভাবে মোট ৩০ বছরের সাজা হলেও তাকে ১০ বছর কারাগারে থাকতে হবে বলে ট্রাইব্যুনাল জানায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ