সিআইডির তদন্তে সাদিক অ্যাগ্রোর বিরুদ্ধে ১৩৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকার মানি লন্ডারিংসহ গরু-মহিষ চোরাচালান, প্রতারণা ও সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ভুটান ও নেপাল থেকে অবৈধভাবে পশু আনা এবং দেশি গরুকে বিদেশি বলে বেশি দামে বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অভিযোগের বিবরণ
প্রায় ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ, অনুমোদনহীন ১৮টি ব্রাহমা গরু আমদানি, ৮৬ লাখ টাকা বিদেশে পাচার ও সরকারি জমি দখলের প্রমাণ পেয়ে অভিযোগপত্র দিয়েছে সিআইডি। সিআইডি জানায়, সাদিক অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. সাদিকুর রহমান সাদিকের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
অবৈধ পশু আমদানি ও প্রতারণা
তদন্তে দেখা যায়, সাদিক অ্যাগ্রো থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ভুটান ও নেপাল থেকে অবৈধ পথে গরু ও মহিষ এনে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করত। দেশি গরুকে বিদেশি বলে চালিয়ে দেওয়া হতো বেশি দামে। এভাবে তারা গ্রাহকদের প্রতারণা করত।
মানি লন্ডারিং ও সম্পদ আত্মসাৎ
সিআইডি জানায়, সাদিক অ্যাগ্রো ৮৬ লাখ টাকা বিদেশে পাচার করেছে। এছাড়া সরকারি জমি দখল করে নিজেদের খামার স্থাপন করা হয়েছে। তদন্তে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।
আইনগত ব্যবস্থা
এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সিআইডি সাদিকুর রহমান সাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এখন থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।



