সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে আটক করার বিষয়টি জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছে যে দুর্নীতির মামলার প্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ১২ জুন দুবাইয়ে পৌঁছানোর পর তাকে আটক করা হয় এবং বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রের তথ্য
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্রও বেনজীর আহমেদের আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, দুবাই ইন্টারপোল থেকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে আটকের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, গত ১২ জুন দুবাই ইন্টারপোল থেকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে একটা চিঠি এসেছে। ওই চিঠিতে বেনজীর আহমেদ দুবাই পুলিশের হাতে আটক হওয়ার কথা জানানো হয়।
বেনজীর আহমেদের অবস্থান
দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত ও মামলার মুখোমুখি হওয়ার পর থেকেই বেনজীর আহমেদ দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তাকে দুবাইয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির পর থেকে আন্তর্জাতিক পুলিশি সহযোগিতার মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। এখন পর্যন্ত দুবাই পুলিশ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।



