ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়া, পদোন্নতি ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে ত্রিমুখী তদন্তের মুখে পড়া বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) এক আদেশে তাকে বদলি করা হয়। বদলির আদেশে সই করেন সহকারী পরিচালক প্রশাসন তিরান আহমেদ।
কীভাবে বদলি করা হলো?
তাকে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে এরাড্রোম স্টান্ডার্ড এফএস এ্যান্ডআর বিভাগের পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান এ তথ্য জানান।
ভুয়া সনদের অভিযোগ
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের চাকরি মুক্তিযোদ্ধা কোটায়। সম্প্রতি তার মুক্তিযোদ্ধা পিতার সার্টিফিকেট নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। বেবিচকসহ গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়।
রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ
আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বেবিচকের নিজস্ব কর্মী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আন্দোলন শুরু করেন। ওই আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্তার অভিযোগে কিছু কর্মকর্তার প্রত্যাহার দাবি করা হয়। তার মধ্যে শরিফুল ইসলাম ছিলেন অন্যতম। পরে গোয়েন্দা প্রতিবেদনেও তাকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা চলমান।



