রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে ১৩ নম্বর সেকশনের দিকে যেতে রাস্তার ওপর ও ফুটপাতে শত শত দোকান বসে। একটু সামনেই কয়েকটি স্কুল। সেগুলোর আশপাশের রাস্তা, গলির সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বসে দোকানের পর দোকান। দোকান হকারের। কিন্তু সেখান থেকে চাঁদা তোলেন স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী ও সন্ত্রাসী।
চাঁদাবাজি ও পুলিশের ভূমিকা
চাঁদার কথাও থানা-পুলিশের অজানা নয়। কিন্তু দোকান উচ্ছেদ অথবা চাঁদাবাজি বন্ধ হয় না। অনেকটা মিলেমিশে চাঁদাবাজি চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় দখলদারি ও চাঁদাবাজি চলছে। পুলিশ প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতি
এলাকায় অবস্থিত স্কুলগুলোর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। রাস্তা ও ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় দোকানদারদের সঙ্গে হকারদের বিবাদও লেগে থাকে, যা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী ও সন্ত্রাসী এই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। তারা দোকানদারদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করে। দোকানদাররা প্রতিবাদ করলে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না বলে অভিযোগ।
প্রশাসনের নীরবতা
থানা-পুলিশের দাবি, তারা বিষয়টি জানেন এবং মাঝে মাঝে অভিযান চালান। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হয় না। স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশ প্রশাসন মুখ ফিরিয়ে রাখছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় দখলদারি ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।



