পল্লবী শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড
পল্লবী শিশু ধর্ষণ হত্যা: প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, রায়ে শতভাগ খুশি।’

রায় ঘোষণা

রবিবার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেহীনের আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আব্দুল হান্নান মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই রায়ে আমার মনের যে প্রত্যাশা, যে আকাঙ্ক্ষা; সেটা আমি পেয়েছি। ইনশাআল্লাহ, আমি শতভাগ আশাবাদী রায় দ্রুত কার্যকর হবে। আল্লাহ পাকের রহমত ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যে আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি।’

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক ও বাংলাদেশের আপামর জনতা, যারা আমার ও আমার পরিবারের বিপদের সময়ে মানসিকভাবে সহায়তা করেছেন সবার কাছে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। অবশ্যই আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতের পর্যবেক্ষণ

এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে বিচারক ১১টা ৫ মিনিটে রায় পড়া শুরু করেন। সব সাক্ষ্য-প্রমাণের আলোকে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড এবং এর পাশাপাশি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, জরিমানার টাকা আদায়ের পর ভুক্তভোগীর আত্মীয়দের সেই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। আসামিরা অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হলে জেলা কালেক্টর দোষীদের অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা আদায়ের উদ্যোগ নেবেন।

বাবার উপস্থিতি

রায় শুনতে আদালতে উপস্থিত হন মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা। তিনি এসময় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের প্রত্যাশার কথা জানান। রায়ের পর সন্তুষ্টি প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান তিনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দ্রুত বিচার

গত বৃহস্পতিবার এই মামলার বিচার কার্যক্রম মাত্র চার কার্যদিবসে শেষ করেন ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে আজ রায়ের দিন ধার্য করেন। বিচার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ক্ষেত্রে এত কম সময়ে বিচার কার্যক্রম শেষ হওয়ার নজির অত্যন্ত বিরল।