দীর্ঘ চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধের পর মিরপুর ১০ নম্বরের গোলচত্বর ছেড়েছেন বিক্ষোভকারীরা। শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে পুলিশের অনুরোধে সড়ক ছেড়ে চলে যান তারা।
পুলিশের অনুরোধে সড়ক ছাড়লেন অবরোধকারীরা
মিরপুর মডেল থানার ওসি হাফিজুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে অবরোধকারীরা গোলচত্বর ছেড়ে দেন।”
রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার দাবিতে আজ জুমার নামাজের পর বিক্ষুব্ধ জনতা মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। এর ফলে ওই সড়কে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট আরও তীব্র হয়, যা মিরপুরের বাসিন্দাদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেষ্টা
বিকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবরোধ তুলতে তৎপর হয়। সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং অবরোধকারীদের সড়ক ছাড়ার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশের অনুরোধে তারা সড়কটি ছেড়ে যেতে রাজি হন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীতে একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি
বৃহস্পতিবার রাতে রামিসার বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই সময় রামিসার পরিবারকে দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।



