রামিসা হত্যার বিচার চেয়ে মিরপুরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রামিসা হত্যার বিচার চেয়ে মিরপুরে বিক্ষোভ

রাজধানীর মিরপুরে পপুলার মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

বিক্ষোভ মিছিলের বিবরণ

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে রামিসার বাসার সামনে থেকে মিরপুর এ এইচ মডেল স্কুলের ব্যানারে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিরপুর-১১ এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন অংশগ্রহণকারীরা। মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই ছিল ৮ থেকে ১০ বছর বয়সি শিশু। তারা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ ও ‘জাস্টিস ফর রামিসা’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়। এ সময় তাদের হাতে বিচারের দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

শিক্ষক ও অভিভাবকদের বক্তব্য

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলেন, রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং তিনি দায় স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেন তারা। এরপরও দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তারা রাজপথে নেমেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মিরপুর এ এইচ মডেল স্কুলের শিক্ষক জাবেদ বলেন, পপুলার মডেল স্কুলের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনার বিচারের দাবিতে আমরা সংহতি জানাতে এসেছি। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিশু এমন ঘটনার শিকার না হয়, সে জন্য খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিচার দীর্ঘায়িত হলে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়বে এবং অনেকেই সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে ভয় পাবেন। তাই দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এ ঘটনার নিষ্পত্তির দাবি জানাই। দেশের ৬৫ হাজার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এই ঘটনার বিচার দাবি করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিভাবকদের উদ্বেগ

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অভিভাবকরাও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এলাকায় আগেও একাধিক শিশু নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়নি। সিসি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার দেখা যায় না।

বিক্ষোভের সমাপ্তি

মানববন্ধন ও মিছিল শেষে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।