বিএনপির নেতারা মাদকের পক্ষে তদবির করলেই গ্রেফতার: এমপি খোকন
বিএনপি নেতাদের মাদক তদবিরে গ্রেফতারের হুঁশিয়ারি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী সদর-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, দলের কোনো নেতা যদি মাদকের পক্ষে তদবির করে, তাহলে তাকেও গ্রেফতার করা হবে। বুধবার (৮ জুলাই) নরসিংদী পৌর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামারগাঁও শাহী ঈদগাহ মাঠে এলাকাবাসীর আয়োজনে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা

খায়রুল কবির খোকন বলেন, 'মাদকের পক্ষে দলের নেতারা তদবির করলেই তাদেরসহ গ্রেফতার করা হবে। এ ব্যাপারে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে আছি। আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।' তিনি আরও বলেন, একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ ও শান্তিতে থাকার জন্য মাদক নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এলাকার মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

দ্বৈত ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

এমপি খোকন সতর্ক করে বলেন, 'আমাদের দলের কোনো নেতাকর্মী মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজীসহ কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের ব্যাপারে ডাবল অ্যাকশন হবে। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকের পক্ষে যারা তদবির করবে, তাদেরসহ গ্রেফতার করা হবে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যুবসমাজ ধ্বংসের প্রান্তে

তিনি মাদককে সমাজের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, 'বর্তমানে সমাজের সবচেয়ে বড় সমস্যা মাদক। এই মাদকের কারণে দেশের যুবসমাজ ও তরুণ সমাজ আজ ধ্বংসের প্রান্তে। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিহাদ ঘোষণা করব। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদক নির্মূলে আমরা সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করব।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সমাবেশে উপস্থিত নেতারা

নরসিংদী জেলা বিএনপির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম সোহেলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ-আল-ফারুক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. কলিমুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজীব শাহরীন, নরসিংদী মডেল থানার ওসি এ আর এম আল মামুন, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. ইলিয়াস আলী ভূইয়া, জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম আজাদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান নাহিদ, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন খান এবং সাবেক কাউন্সিলর রোকনোজ্জামান রোকনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতারা।