মারামারি, হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২২ জুন) পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরীন করিমের আদালতে হাজিরা দিয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ
আদালত ও মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ রাতে বাউফল পৌর শহরের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ফজলুল হক মৃধা অভিযোগ করেন, পূর্ব বিরোধের জেরে একদল ব্যক্তি তার ভাই ও সহযোগীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় অভিযুক্তরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়, কয়েকজনকে মারধর করে এবং নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
আহতদের চিকিৎসা
মামলায় আরও বলা হয়েছে, হামলায় আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আসামি তালিকা
ঘটনার পর বাউফল থানায় দায়ের করা মামলায় মোট ৭ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় ১ নাম্বার আসামি করা হয়েছে বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদকে।
তদন্তের অবস্থা
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাউফল থানার এসআই মশিউর রহমান বলেছেন, 'মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আহতদের মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষপর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।'
পূর্ববর্তী বিতর্ক
সম্প্রতি এক প্রাইভেটকার চালককে মারধর ও সাংবাদিকদের গালাগাল, হুমকিসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন ছাত্রদল নেতা ফাহাদ।



