জামালপুরে ইয়াবাসহ স্বেচ্ছাসেবক নেতা গ্রেপ্তার, দল থেকে আজীবন বহিষ্কার
জামালপুরে ইয়াবাসহ স্বেচ্ছাসেবক নেতা গ্রেপ্তার ও বহিষ্কার

জামালপুরে ইয়াবাসহ স্বেচ্ছাসেবক নেতার গ্রেপ্তার ও বহিষ্কার

জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলায় ইয়াবাসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের এক স্থানীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-২)। এ ঘটনায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতা মো. নাজমুল হাসান, যিনি মেরুরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের ঘটনা

শনিবার (১১ এপ্রিল) জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয়ভাবে কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা যায়, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি-২ মেরুরচর ইউনিয়নের মাইছেনির চর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় নাজমুল হাসানকে তার বাসার সামনে থেকে ৪০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ

ঘটনার পরদিন মেরুরচর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. সোরহাব আলী ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাবিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপ এবং মাদক কারবারি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ৭ নম্বর মেরুরচর ইউনিয়ন শাখার ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাকে দলের সব পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হলো।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যত নিষেধাজ্ঞা

ভবিষ্যতে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না এবং দলীয় পরিচয় ব্যবহার করতে পারবেন না। এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নুরুল মোমিন আকন্দ কাওসার বলেন, মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে নাজমুল হাসান দলের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করেছেন, তাই তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদকবিরোধী অবস্থানে দল কোনো ধরনের ছাড় দেবে না।

এই ঘটনা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রচেষ্টাকে তুলে ধরেছে। মাদকবিরোধী অভিযানে দলের কঠোর অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে, যা সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।