দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে চলেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। তবে মাতৃত্বের এই সময়েও থেমে নেই তার কাজ। অন্তঃসত্তা অবস্থাতেই তিনি শাহরুখ খানের ‘কিং’ (২০২৬) এবং অ্যাটলি পরিচালিত ‘রাকা’ ছবির শুটিংয়ে যুক্ত রয়েছেন। আন্তর্জাতিক শিডিউলসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজও তিনি এই সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। শুধু দীপিকাই নন, বলিউডে গর্ভাবস্থার সময়েও ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়া বহু তারকার উদাহরণ রয়েছে। মাতৃত্বকে আড়াল না করে পেশাদার দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করেছেন তাঁরা। এমনই কয়েকজন অভিনেত্রীর গল্প তুলে ধরা হলো।
আলিয়া ভাট (‘হার্ট অব স্টোন’, ২০২৩)
আলিয়া ভাট তাঁর হলিউড সিনেমা ‘হার্ট অব স্টোন’-এর শুটিংয়ের সময় অন্তঃসত্তা ছিলেন। অ্যাকশনধর্মী এই স্পাই থ্রিলারে তিনি শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং দৃশ্যেও অংশ নেন। গর্ভাবস্থার সময় শুটিং করলেও নিরাপত্তা ও মেডিকেল টিমের কড়া পর্যবেক্ষণে কাজ সম্পন্ন করেন তিনি।
দীপিকা পাড়ুকোন (‘কাল্কি ২৮৯৮ এডি’, ২০২৪)
দীপিকা পাড়ুকোন অন্তঃসত্তা অবস্থায় ‘কাল্কি ২৮৯৮ এডি’ (২০২৪) ছবির গুরুত্বপূর্ণ প্রচারণামূলক কাজ এবং শেষ পর্যায়ের কিছু শুটিং সম্পন্ন করেন। ছবিতে তাঁর চরিত্রটিও একজন গর্ভবতী নারীর ছিল। বর্তমানে আবারও মাতৃত্বকালীন সময়ে থেকেও তিনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, যা বলিউডে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ইয়ামি গৌতম (‘আর্টিকেল ৩৭০’, ২০২৪)
ইয়ামি গৌতম যখন ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘আর্টিকেল ৩৭০’ (২০২৪)-এর শুটিং করছিলেন, তখন তিনি অন্তঃসত্তা ছিলেন। সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্য এবং ডাবিংয়ের কাজ তিনি গর্ভাবস্থাতেই সম্পন্ন করেন।
কাজল দেবগান (‘উই আর ফ্যামিলি’, ২০১০)
কাজল ২০১০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘উই আর ফ্যামিলি’ (২০১০) সিনেমার শুটিং ও প্রমোশনের সময় দ্বিতীয় সন্তান (যুগ)-এর মা হতে যাচ্ছিলেন। সেই অবস্থাতেই তিনি সিনেমার একটি নাচের দৃশ্যসহ পুরো প্রচারণার কাজ শেষ করেন।
কারিনা কাপুর খান (‘ভিরে দি ওয়েডিং’, ২০১৮ এবং ‘লাল সিং চড্ডা’, ২০২২)
কারিনা কাপুর খান অন্তঃসত্তা অবস্থায় ‘ভিরে দি ওয়েডিং’ (২০১৮) ছবির শুটিং করেন। পরে বাস্তব জীবনের গর্ভাবস্থাকে গল্পেও যুক্ত করা হয়। দ্বিতীয় সন্তানের সময়ও তিনি ‘লাল সিং চড্ডা’ (২০২২) ছবির কিছু অংশের কাজ শেষ করেন।
অতীতের তুলনায় এখন বলিউডে গর্ভাবস্থাকে আর ক্যারিয়ারের বিরতি হিসেবে দেখা হয় না। জয়া বচ্চন থেকে শুরু করে সমসাময়িক সময়ের অভিনেত্রীরা দেখিয়েছেন, সতর্কতা ও পরিকল্পনা থাকলে মাতৃত্ব এবং পেশাগত জীবন একসঙ্গে সামলানো সম্ভব।



