স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি: স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা থেকে আলোচনা সভা
স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের জন্য একটি ব্যাপক দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয়ভাবে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, পতাকা উত্তোলন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রথম দিনের কর্মসূচি: আলোচনা সভা ও প্রস্তুতি

২৫ মার্চ, দুপুর আড়াইটায় রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বক্তব্য রাখবেন। আলোচনার মূল বিষয় হবে স্বাধীনতার ইতিহাস, বর্তমান প্রেক্ষাপট এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা। এছাড়াও, দিবসটি উপলক্ষে ইতোমধ্যে পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে এবং বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশের প্রস্তুতি চলমান রয়েছে।

দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি: শ্রদ্ধা নিবেদন ও পতাকা উত্তোলন

২৬ মার্চ ভোরে নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। একইদিন ভোরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দলের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকায় ফিরে বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দ মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর-উত্তম)-এর মাজার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অতিরিক্ত আয়োজন ও দেশব্যাপী কর্মসূচি

মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে একটি বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে, যা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে স্বাধীনতা দিবস পালনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। পাশাপাশি, সারা দেশে বিএনপির জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌর ইউনিটগুলো নিজ নিজ উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে। দলটি কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতি সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

এই দুই দিনের কর্মসূচি স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্যকে স্মরণ করিয়ে দেবে এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতির বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে দলটি আশা প্রকাশ করেছে। বিএনপির এই আয়োজন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।