নুরুল হক নুরের ঘোষণা: রাশেদ খানের গণঅধিকার পরিষদে ফেরার সম্ভাবনা
নুরুল হক নুর: রাশেদ খানের গণঅধিকার পরিষদে ফেরার সম্ভাবনা

নুরুল হক নুরের ঘোষণা: রাশেদ খানের গণঅধিকার পরিষদে ফেরার সম্ভাবনা

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর সম্প্রতি একটি বেসরকারি গণমাধ্যমের টকশোতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেখানে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করা রাশেদ খানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।

রাশেদ খানের প্রত্যাবর্তনে উন্মুক্ত দরজা

নুরুল হক নুর স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, রাশেদ খান যদি আবার গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক হন, তাহলে তাকে দলটি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাবে। তিনি বলেন, ‘রাশেদ খান যদি গণঅধিকার পরিষদে আসতে চায় আমরা ওয়েলকাম করব। কারণ রাশেদ খান আজকে যে জায়গায় এসেছে, তার পেছনে গণঅধিকার পরিষদের অনেক শ্রম রয়েছে। এক ব্যক্তিকে তৈরি করতে সংগঠনের কর্মীদের অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে রাশেদ খানের বর্তমান পরিচিতি ও সাফল্যের পেছনে দলের নেতাকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অবদান রয়েছে। নুর বলেন, ‘বাংলাদেশের কঠিন সময়ে গণঅধিকার পরিষদের অল্প কিছু ছেলেমেয়ে যে ত্যাগ স্বীকার করেছে, সে ধরনের স্যাক্রিফাইস খুব কম সংগঠন করেছে।’

নির্বাচনী প্রতীক ও দলীয় নিয়মের ব্যাখ্যা

নুরুল হক নুর গত নির্বাচনে রাশেদ খানের বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ‘রাশেদ খান গত নির্বাচনে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন, যা দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেই করা হয়েছিল। সে সময় বিএনপির সঙ্গে জোটের সমীকরণ বিবেচনায় তাকে ওই প্রতীকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘রাশেদ খান ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করায় দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাকে বিএনপির সদস্যপদ নিয়ে নির্বাচন করতে হয়েছিল। সে কারণে আমাদের দলে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সিনিয়র নেতা হাসান মামুনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

সংসদীয় আচরণের উপর জোর

এ সময় নুরুল হক নুর সংসদে গঠনমূলক আলোচনার গুরুত্বের উপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘সংসদে অযথা ঝগড়া-বিবাদ নয়, বরং গঠনমূলক আলোচনা হওয়া উচিত। অনেক দেশের সংসদে চেয়ার ছোড়াছুড়ির মতো ঘটনা ঘটে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা কি সেই খারাপ উদাহরণ অনুসরণ করব?’

তাঁর এই মন্তব্যগুলো রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে, বিশেষ করে রাশেদ খানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে।