বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুলের বক্তব্য: আওয়ামী লীগের অফিস খোলা আইনগতভাবে দেখা হবে
মির্জা ফখরুল: আ.লীগের অফিস খোলা আইনগতভাবে দেখা হবে

বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুলের বক্তব্য: আওয়ামী লীগের অফিস খোলা আইনগতভাবে দেখা হবে

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সারাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার বিষয়টি আইনগতভাবে বিবেচনা করা হবে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ কথা জানান।

আওয়ামী লীগের অফিস খোলা নিয়ে সরকারের অবস্থান

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এটা আমরা চাইনি এবং যেহেতু আইনগতভাবে বলা আছে যে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেভাবেই এটাকে দেখা হবে সব জায়গায়।’ তিনি উল্লেখ করেন যে, বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের অফিসগুলো খোলা হচ্ছে—এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা হবে।

বিএনপির কার্যালয়ের ঐতিহাসিক ভূমিকা

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, নয়াপল্টনে বিএনপির এই কার্যালয় থেকে বিগত সময়ে সবচেয়ে বেশি আন্দোলন ও কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তিনি স্মরণ করেন যে, এই কর্মসূচিগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তিনি দাবি করেন, এই কার্যালয় থেকে দেওয়া কর্মসূচিগুলো জনগণকে ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সংরক্ষিত নারী আসন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সঠিক সময়ে সরকারি নিয়ম মেনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘কতগুলো নিয়মকানুন আছে সরকারি। সরকারি এবং যেসব প্রথা আছে, সেগুলো কতগুলোর মেয়াদ আছে, কতগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সবগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে সরকারের তরফ থেকে একটি সঠিক সময়ে এই নির্বাচনগুলো দেওয়ার ব্যবস্থা আমরা করব। তবে নিঃসন্দেহে এই নির্বাচনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি কাদের মনোনয়ন দেবে, এমন প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তাদের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে, রাজনীতি ও দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে যারা দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।’

এই সভায় বিএনপির নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন দিকনির্দেশনা দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।