ত্রয়োদশ সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি সরকার গঠনে অগ্রসর, শুভেচ্ছা জানালেন নেতৃবৃন্দ
ত্রয়োদশ সংসদে বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সরকার গঠনে অগ্রসর

ত্রয়োদশ সংসদে বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা: সরকার গঠনে অগ্রসর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হচ্ছে বিএনপি। দলের এই সাফল্যে চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় সরকার গঠনের ইচ্ছা প্রকাশ

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিএনপি সরকার গঠনে যুগপৎ সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছে। মূলত, তারা একটি জাতীয় সরকার গঠন করার ইচ্ছা পোষণ করছে। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গুলশানের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে যারা ছিল, তাদেরকে নিয়েই ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও জাতীয় সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একটা কথা বুঝতে হবে, বাংলাদেশের যেকোনও কঠিন সময়ে, ক্রান্তি লগ্নে দেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ওপর আস্থা রাখে। এবারও সেটাই হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ বিএনপি এবং তার নেতৃত্বের উপর আবারও আস্থা রেখেছে।”

জনগণের আস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “মানুষ জানে কঠিন সময় থেকে একমাত্র উত্তোলন করতে পারবে জাতীয়তাবাদী তল। বিএনপির নেতৃত্বে তারেক রহমান যে পরিকল্পনার কথা বলেছেন, প্ল্যানের কথা বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ এটার ওপর আস্থা রেখেছে। দেশের জনগণের আস্থা অর্জন করেছি, আস্থাটা রাখতে হবে। এটা অনেক বিশাল কাজ।”

সংসদে বিরোধী দলের প্রতি আচরণ

সংসদে বিরোধী দলের প্রতি আচরণ কেমন হবে জানতে চাইলে আমীর খসরু বলেন, “যত বেশি রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মাধ্যমে আপনি আপনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন গণতন্ত্র তত শক্তিশালী হবে। আমরা যে গণতন্ত্র, বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলছি, সেখানে রাজনৈতিক শিষ্টাচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেটার ক্ষেত্রে সেটা সংসদের ভেতরে হোক আর বাইরে হোক।”

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ

প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বিএনপির আগামীর সম্পর্কটা কেমন হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এটা বিগতদিনে সব সময় ছিল। বিএনপির আমরা কোনও নির্দিষ্ট দেশকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি নাই। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে।”

এই সাক্ষাৎকারে তিনি দলের ভবিষ্যৎ নীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন, যা ত্রয়োদশ সংসদে বিএনপির নতুন ভূমিকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।