নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ে নজরুল ইসলাম খানের প্রতিক্রিয়া: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী হবে
বিএনপির বিজয়ে নজরুল ইসলাম খানের প্রতিক্রিয়া

বিএনপির নির্বাচনি বিজয়ে নজরুল ইসলাম খানের প্রতিক্রিয়া: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী হবে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের আভাস পাওয়ার পর দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও মজবুত হবে।

নির্বাচনকে ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য দিন হিসেবে অভিহিত

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নজরুল ইসলাম খান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি ‘উল্লেখযোগ্য দিন’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘এ দেশের গণতন্ত্রের পরীক্ষিত শক্তি বিএনপি। দলটির ওপর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণের বিষয়টি মোটামুটি নিশ্চিত হতে পেরেছি। গত রাত থেকেই আমরা ফলাফল ঘোষণা শুনছি।’

নির্বাচন কমিশন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী হিসেবে নাম উচ্চারণ না করলেও নজরুল ইসলাম খান দাবি করেন, বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ধারণা ছিল, আমাদের সব প্রার্থীই জিতবে। যাই হয়েছে, আগামী নির্বাচনে আমাদের ফলাফল আরও ভালো হবে।’

গণভোট ও নির্বাচনি পরিবেশ সম্পর্কে মন্তব্য

একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া গণভোট প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় হওয়ার কথা। এবারের নির্বাচনে বড় কোনো সংঘাত না হওয়াকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখেন। তিনি বলেন, ‘এবার নির্বাচনে প্রাণহানি হয়নি, এটি একটি ভালো বিষয়। তবে দীর্ঘদিন ভোট না দিতে পারায় এটি একটি নেতিবাচক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়ে গিয়েছিল।’

জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ও অভিযোগ সম্পর্কে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জামায়াতের মনে কষ্ট আছে, তারা অভিযোগ করতেই পারে। তবে আমাদের বিরুদ্ধে তারা কোনো অভিযোগ করেনি।’ তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, বিএনপির সব প্রার্থীর জয়লাভের আশা ছিল। তবে সামনে আরও কাজ করার সুযোগ রয়েছে এবং আগামী নির্বাচনে আরও ভালো ফলাফল আসবে।

নজরুল ইসলাম খানের এই বক্তব্যে বিএনপির নির্বাচনি বিজয়ের আভাস এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দলের আশাবাদ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উন্নয়নে দলের ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছেন।