ভোটে 'ইঞ্জিনিয়ারিং' হলে মেনে নেওয়া হবে না: মির্জা আব্বাসের হুঁশিয়ারি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে চললেও কোনো ধরনের কারচুপি বা 'ইঞ্জিনিয়ারিং' হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বক্তব্য দেন।
ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও বক্তব্য
এদিন দুপুর ১২টার দিকে মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোট দেওয়ার পর সাড়ে ১২টায় তিনি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সামনে উপস্থিত হন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, 'এখন পর্যন্ত ভোট সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে। সুষ্ঠু না হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি এখনো চোখে পড়েনি। তবে ভোটে কোনো ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।'
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই সবার দায়িত্ব। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানান মির্জা আব্বাস।
ঢাকা-৮ আসনের গঠন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত জাতীয় সংসদের ঢাকা-৮ আসনটি মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা এলাকা নিয়ে গঠিত। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ধানের শীষ প্রতীকের মির্জা আব্বাস এবং শাপলা কলি প্রতীকের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
একই আসনে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর 'কেন্দ্রে এজেন্ট ঢুকতে না দেওয়ার' অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা আব্বাস জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তিনি শুধু নিজের পর্যবেক্ষণ ও বক্তব্যের ওপরই জোর দেন।
নির্বাচনী পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
মির্জা আব্বাসের এই বক্তব্য ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইঙ্গিত বহন করে। তার মতে:
- ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে।
- কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা কারচুপির আশঙ্কা জাগলে তা প্রত্যাখ্যান করা হবে।
- নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখতে হবে।
এই নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ ও তাদের প্রার্থীদের অবস্থান নিয়ে দেশব্যাপী তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মির্জা আব্বাসের মতো নেতাদের সতর্কবাণী ভোটের দিনের পরিবেশ ও ফলাফল নিয়ে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করতে পারে।
