বাগেরহাটের রামপালে মাছের ঘেরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে উভয় পক্ষের লোকজন দাবি করেছে। পাশাপাশি বিএনপির একটি স্থানীয় অফিস, কাঁকড়া ডিপোসহ বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
প্রথম দফা সংঘর্ষ
শনিবার (৩ মে) রাত ৯টায় উপজেলার ভাগা বাজার এলাকায় বিএনপির উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হন। বিবাদমান মাছের ঘেরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই ব্যক্তিকে ধরে ভাগায় বিএনপির অফিসে আনা হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে বহিরাগত কয়েকজন আটকদের ছাড়িয়ে আনতে গেলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষ
রোববার সকালে আবারও সংঘর্ষ হয়। এক ব্যক্তির ওপর হামলা করে প্রতিপক্ষরা তার মাথা ফাটিয়ে দেয়। এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
আহতদের বক্তব্য
আকবর হোসেন আকো জানান, প্রতিপক্ষের হামলায় ওই সময় আমিসহ অন্তত ৮ জন আহত হই। এদের মধ্যে মাসুদ ও খোকনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অন্যপক্ষের কামাল হোসেন জানান, দুইজন লোক আটক করেছে শুনে ভাগা বাজারে গেলে প্রতিপক্ষরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এসময় আমাদের ৭-৮ জন আহত হন।
স্থানীয় বিএনপি নেতার বক্তব্য
উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম জানান, ভাগার ঘটনায় আমি সেখানে যাইনি বা ছিলাম না। কিন্তু আমার বাড়ির সামনে এসে ভয়ভীতি, গালাগাল ও হুমকি প্রদান করা হয়েছে।
পুলিশের অবস্থান
রামপাল থানার ওসি সুব্রত বিশ্বাস জানান, ভাগার সংঘর্ষের ঘটনার থানায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।



