পঞ্চগড়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়ে রাশেদ প্রধানের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর
পঞ্চগড়ে প্রধানমন্ত্রী নিয়ে রাশেদ প্রধানের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

পঞ্চগড়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়ে রাশেদ প্রধানের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর

শুক্রবার বিকেলে পঞ্চগড় শহরে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের আক্রমণাত্মক মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মিছিলে বিএনপি-সমর্থক যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন এবং রাশেদ প্রধানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

মিছিলের ঘটনাপ্রবাহ

বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরঙ্গী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে বকুলতলা এলাকায় জাগপা কার্যালয়ের নিকটে পৌঁছালে কিছু বিক্ষুব্ধ লোক কার্যালয়ের বাইরের টিনের বেড়া এবং ভেতরের কয়েকটি চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। নেতারা পরবর্তীতে বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিদের মিছিলে ফিরিয়ে আনেন।

সমাবেশে বক্তব্য ও দাবি

মিছিল শেষে চৌরঙ্গী মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান মানিক ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান (জাপান) বক্তব্য দেন। তারা রাশেদ প্রধানের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে তার ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। বক্তারা ঘোষণা করেন যে, রাশেদ প্রধান প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত তাকে পঞ্চগড়ের মাটিতে অবাঞ্ছিত হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নেতার বক্তব্য

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবু মুঠোফোনে বলেন, 'আমরা দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে শুধুই মিছিল করেছি। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রাশেদ প্রধান প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত পঞ্চগড়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। শুনেছি জাগপা অফিসে বিক্ষুব্ধ জনতা ভাঙচুর করেছে। সেখানে আমাদের মিছিলের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্লোগান ও প্রতিক্রিয়া

মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা 'একাত্তরের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান' সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং জাগপা কার্যালয়ের ভাঙচুরের বিষয়টি তদন্তের আওতায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।