বাবুগঞ্জে শ্রমিক দল নেতার ফেসবুক পোস্টে আওয়ামী লীগ নেতাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাওয়া নিয়ে তদন্ত
শ্রমিক দল নেতার ফেসবুক পোস্টে আ.লীগ নেতাকে চেয়ারম্যান দেখতে চাওয়া

বাবুগঞ্জে শ্রমিক দল নেতার ফেসবুক পোস্টে আওয়ামী লীগ নেতাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাওয়া নিয়ে তদন্ত

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় একটি রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের এক নেতা ফেসবুকে আওয়ামী লীগের সদস্য মো. নুরে আলম বেপারীকে কেদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে পুনরায় দেখতে চেয়ে পোস্ট দিয়েছেন। এই ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, যা এখন তদন্তের মুখোমুখি।

ঘটনার বিবরণ

জানা গেছে, ২৬ মার্চ রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেদারপুর ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম অপু তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। এই পোস্টে তিনি আওয়ামী লীগ নেতা নুরে আলম বেপারীর ছবি ব্যবহার করে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি লেখেন যে তিনি বেপারীকে কেদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আবারও দেখতে চান। মো. নুরে আলম বেপারী উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দলীয় প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, "কোনো পদধারী নেতা এ ধরনের মন্তব্য বা ফেসবুক পোস্ট দিতে পারেন না। এটি সম্পূর্ণ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যদি প্রমাণিত হয় যে ফেসবুক আইডিটি শ্রমিক দলের নেতার সঠিক, তবে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নেতার যোগাযোগহীনতা

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কেদারপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম অপুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এই যোগাযোগহীনতা ঘটনাটিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে রাজনৈতিক মত প্রকাশের সীমা এবং দলীয় শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, যা বাবুগঞ্জের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।