হুমায়ুন কবিরের আহ্বান: প্রশাসনকে সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে
হুমায়ুন কবির: প্রশাসনকে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে

হুমায়ুন কবিরের আহ্বান: প্রশাসনকে সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির বলেছেন, বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরে কোনো চাঁদাবাজ-সন্ত্রাস ও চোর-ডাকাতের স্থান হবে না। তাই প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তিনি এলাকার মানুষ যাতে অযথা হয়রানির শিকার না হন সেজন্য সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।

ইফতার মাহফিলে বক্তব্য

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার পৌর শহরের কারিকোনা ফুটবল মাঠে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সদ্য প্রয়াত মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষের কল্যাণে কাজ করে। মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য তিনি স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সার্বিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কোনো কাজে আমার সহযোগিতা লাগলে বলবেন। আর আমিও সর্বদা প্রস্তুত আছি।

ভালো মানুষের রাজনীতির সময়

তিনি আরও বলেন, বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের জন্য দল-মত নির্বিশেষে রাজনীতিতে ভালো মানুষের সমাগম ঘটাতে হবে। এখন ভালো মানুষের রাজনীতি করার সময় এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইলিয়াস আলী ও সুহেল আহমদ চৌধুরী না থাকলেও তিনি আছেন এবং এলাকাবাসীর পাশে রয়েছেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর এ দুটি উপজেলার মধ্যে আমার কাছে কোনো পার্থক্য নেই। তিনি উন্নয়নের উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেন, ওসমানীনগরে তিনটি স্কুল হলে বিশ্বনাথে হবে চারটি। রাস্তা ওসমানীনগরে দুটি হলে বিশ্বনাথে হবে তিনটি।

অনুষ্ঠানের বিস্তারিত

বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়ার সভাপতিত্বে ও অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেলের পরিচালনায় এই সভায় আরও বক্তব্য দেন:

  • সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী
  • কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ চৌধুরী
  • জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবদাল মিয়া
  • বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের আমির নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী
  • জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ প্রমুখ

এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। হুমায়ুন কবিরের এই বক্তব্য এলাকার প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।