প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, পাঁচজন পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভার অধীনে ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার ক্যাবিনেট বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবিধান ও ব্যবসায়িক নিয়মাবলী অনুসারে এই দায়িত্ব বণ্টন করেছেন।

পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন পাঁচ উপদেষ্টা

১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে পাঁচজনকে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। অন্যদিকে, বাকি পাঁচজনকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদাপ্রাপ্ত উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান এবং রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমিরকে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় পাঁচ উপদেষ্টার দায়িত্ব

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদাপ্রাপ্ত উপদেষ্টাদের মধ্যে হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। জাহেদ উর রহমানকে নীতি ও কৌশল বিষয়ক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাহাদি আমিনকে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণের পর উপদেষ্টা নিয়োগ

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর এই ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়। একই দিনে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন, পাশাপাশি ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীও শপথ নেন। এই নিয়োগগুলো সরকারের কার্যক্রম পরিচালনা ও নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।