বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় ৫০ জনের ডাক, শপথ মঙ্গলবার
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে ডাক পেয়েছেন মোট ৫০ জন ব্যক্তি। এই তালিকায় ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পাচ্ছেন, অন্যদিকে ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর পদে নিয়োগ পাচ্ছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ইতোমধ্যে টেলিফোনের মাধ্যমে সবাইকে শপথগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তবে কে কোন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পাচ্ছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।
শপথ অনুষ্ঠানের সময় ও স্থান
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। এই প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সরকারের কার্যক্রম শুরুর দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পূর্ণ মন্ত্রীত্বপ্রাপ্তদের তালিকা
যারা পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন:
- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- সালাউদ্দিন আহমদ
- আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
- মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ
- ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন
- ড. খলিলুর রহমান
- আব্দুল আওয়াল মিন্টু
- মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ
- মিজানুর রহমান মিনু
- নিতাই রায় চৌধুরী
- খন্দকার আবদুল মুক্তাদির
- আরিফুল হক চৌধুরী
- জহির উদ্দিন স্বপন
- আমিন উর রশিদ
- আফরোজা খানম রিতা
- শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
- আসাদুল হাবিব দুলু
- মো. আসাদুজ্জামান
- জাকারিয়া তাহের
- দীপেন দেওয়ান
- এহসানুল হক মিলন
- সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
- ফকির মাহবুব আনাম
- শেখ রবিউল আলম
প্রতিমন্ত্রীত্বপ্রাপ্তদের তালিকা
প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন:
- এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
- অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
- মো. শরীফুল আলম
- শামা ওবায়েদ ইসলাম
- সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
- ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
- ফরহাদ হোসেন আজাদ
- আমিনুল হক
- মীর মোহম্মদ হেলালউদ্দিন
- হাবিবুর রশিদ
- রাজিব আহসান
- আবদুল বারি
- মীর শাহে আলম
- জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি
- ইশরাক হোসেন
- ফারজানা শারমিন
- শেখ ফরিদুল ইসলাম
- মো. নুরুল হক নুর
- ইয়াসের খান চৌধুরী
- এম ইকবাল হোসেইন
- এম এ মুহিত
- আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর
- ববি হাজ্জাজ
- আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম
এই নিয়োগগুলো বিএনপির নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে পারে।
