বিএনপির ডা. জাহিদ হোসেন ত্রয়োদশ সংসদে মন্ত্রী হচ্ছেন, প্রথমবারের মতো মন্ত্রিপরিষদে জায়গা
ডা. জাহিদ হোসেন ত্রয়োদশ সংসদে মন্ত্রী হচ্ছেন

বিএনপির ডা. জাহিদ হোসেন ত্রয়োদশ সংসদে মন্ত্রী হচ্ছেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রী হচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যুগান্তরকে জানানো হয়েছে এই তথ্য। এবারই প্রথম তিনি মন্ত্রিপরিষদে জায়গা করে নিতে চলেছেন, যা তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নির্বাচনী ফলাফল ও রাজনৈতিক পথচলা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. জাহিদ হোসেন দিনাজপুর-৬ আসন থেকে শীষ প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। এই আসনটি বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১৫ হাজার ১৬৮ ভোট বেশি পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মোট ১৯৯টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী পান ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭১৯ ভোট।

ডা. জাহিদ হোসেনের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় ২০১০ সালে, যখন তিনি বিএনপির মাননীয় চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৬ সালে দলের কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট তাকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়, যা দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম হিসেবে পরিচিত।

মন্ত্রিপরিষদে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ

এবারের মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ডা. জাহিদ হোসেনের অন্তর্ভুক্তি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে। তিনি এ জেড এম জাহিদ হোসেন নামে পরিচিত এবং তার এই নিয়োগ বিএনপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উন্নয়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব ও কার্যক্রম নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে এটি দলের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এই নিয়োগের মাধ্যমে বিএনপির রাজনৈতিক কাঠামোতে তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। দিনাজপুর-৬ আসনে তার জয় ও এখন মন্ত্রীত্ব লাভ—উভয়ই তার স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন বলে ধরা যায়।