বগুড়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের দাবি
বগুড়া শহরের টেম্পল রোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের দাবি করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় ‘বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ’ নামক ফেসবুক আইডিতে এ সংক্রান্ত ছবিসহ একটি পোস্ট প্রকাশ করা হয়। পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দিনের যেকোনো সময় দোতলায় এ পতাকাটি উত্তোলন করা হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে কী লেখা ছিল?
ফেসবুকের ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। আমাদের কেউ দাবায়া রাখতে পারবা না। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। জয় হোক দেশরত্ন শেখ হাসিনার।’ এ পোস্ট শেয়ার দেওয়ার পর অনেকে মন্তব্য করেছেন। রাসেল শেখ নামে একজন লিখেছেন, ‘ইনশাল্লাহ একদিন পুনর্বাসন হবে’। আজিজার রহমান তাজ নামে আরেক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘জয় বাংলা।’
কার্যালয়ের পূর্ববর্তী ঘটনাবলী
গত ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধ ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বগুড়া শহরের টেম্পল রোডে জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ৫ আগস্ট কার্যালয়টিতে আবারও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বুলডোজার এনে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়। পাশে টাউন ক্লাব ও সুলতান মাহমুদ খান রনি নামে জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদকের ব্যক্তিগত অফিসও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের পাশে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কার্যালয় অক্ষত রাখা হয়।
দলীয় নেতার বক্তব্য
নাম ও পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, সোমবার সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া সন্ধ্যায় নামিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সুযোগ পেলে তারা আবারও পতাকা উত্তোলন ও দলীয় কার্যালয়ে যাবেন।
পুলিশ ও বিএনপির প্রতিক্রিয়া
এ প্রসঙ্গে জানতে বগুড়া সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাহফুজ আলমকে ফোন দিলে তারা না ধরায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের ব্যাপারে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ঢাকায় রয়েছেন এবং এ ব্যাপারে কিছু জানেন না।
